অস্তিত্বের আদিপ্রবাহ
মহাকালের নীলরন্ধ্র চিরে ফুটে ওঠে এক অদেখা ভোরের আলো,
শব্দহীনতার প্রাচীন দেওয়াল ভেঙে চূর্ণ হয় সুগভীর কালো।
জাগে কালচেতনা, স্মৃতির গহনে জমতে থাকা সুদূর রূপ,
অগ্নিনদী বয়ে আনে মহাজাগতিক এক অনন্য মৌন স্তূপ।
স্ফটিকপ্রবাহে ধৌত হয় এই চেতনার আদিম জমাট স্তর,
স্বয়ম্ভূ স্পন্দনে কেঁপে ওঠে সুপ্ত অনন্তের নিথর ঘর।
পলিস্তরে আজ আঁকা হয় এক নবীন মানচিত্রের রেখা।
জ্যোতির্বলয় থেকে ঝরে পড়ে সত্যের সূক্ষ্ম স্বর্ণরেণু,
অসংলগ্ন সময়ের সুতো বেঁধে বাজে রূপান্তরের সুগভীর বেণু।
ছায়াপথ বেয়ে হেঁটে যায় আলো, আঁধার যেখানে নিভেছে আজ,
মহাকর্ষের সীমা পেরিয়ে টুটে যায় যত জীর্ণ কৃত্রিম সাজ।
চিরপ্রবাহের অসীম ধারায় মিশে যায় মানবাত্মার সুপ্ত গান,
অস্তিত্বস্পন্দনে জেগে ওঠে এক চির-মুক্ত অক্ষয় প্রাণ।
অনশ্বর আলোয় উদ্ভাসিত হয় ধরণীর শেষ পূর্ণতা।
💬 মন্তব্য করুন
আপনার মতামত জানান
এখনো কোনো মন্তব্য নেই
প্রথম মন্তব্য করুন!